• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১, ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫
মাগুরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়

মাঠে স্থায়ী জলাবদ্ধতায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা


মাগুরা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১, ১২:৫৩ পিএম
মাঠে স্থায়ী জলাবদ্ধতায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

মাগুরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতায় মশা-মাছির অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। পানি নিষ্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন বৃষ্টির পানি জমে পচা পানিতে দুর্গন্ধ দেখা দিয়েছে। মশা-মাছি ও কীটপতঙ্গ এমনকি জলজ সাপও এখানে অবাধে বিচরণ করছে। এ কারণে ১২ সেপ্টেম্বর সরকারি নির্দেশে সারাদেশে স্কুল খোলার কথা থাকলেও এ স্কুলটিতে ক্লাসের পরিবেশ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন একাধিক অভিভাবক ও ছাত্রী। 

বিদ্যালয়টির ছাত্রীর অভিভাবক আব্দুস সবুর ও চম্পা দাস জানান, সরকারি নির্দেশে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল খোলার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে স্কুলের ক্লাসরুম ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত হলেও স্কুল ক্যাম্পাসে প্রায় ৬ মাস ধরে জমে থাকা পানি নিষ্কাসনের কোনো ব্যবস্থাই করা হয়নি। এটি এখন মশা মাছি ও বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। 

স্কুলের একাধিক ছাত্রী জানায়, দীর্ঘদিন পর স্কুলে যেতে পারবো এটা খুবই আনন্দের বিষয়। কিন্তু মাঝে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে সেখানে গিয়ে দেখলাম স্কুল মাঠে পানি পচে খুবই খারাপ অবস্থা। স্কুলের খেলার মাঠে এখন হাঁটু সমান পানি। তাদের জন্য এ পানি বড় ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

সরকারি বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন জেলা পাড়ার বাসিন্দা কাজী নজরুল ইসলাম ফিরোজ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে স্কুলের খেলার মাঠটি এখন জন উপদ্রবে পরিণত হয়েছে। এখানে মশা, মাছি, সাপ, ব্যাঙ এলাকার মানুষের পরিবেশ দুষিত করছে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত এ অবস্থার উত্তরণে ব্যবস্থা নেবে এটি আমাদের প্রত্যাশা। 

জলবাদ্ধাতার বিষয়টি স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্মল চন্দ্র জোয়ারদার জানান, স্কুলের খেলার মাঠে পানি জমে যাওয়া এ স্কুলের একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। আমি ইতিমধ্যে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম মহোদয়কে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাগুরার পৌর মেয়র খুরশিদ হায়দার টুটুল জানান, পৌরসভার ড্রেন থেকে ওই মাঠটি নিচু হওয়ায় মাঠের পানি পৌর ড্রেনে আনা সম্ভব হচ্ছে না। ইতিমধ্যে পৌরসভার পক্ষ থেকে দুটি পাম্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাসনের কাজ শুরু হয়েছে। 

Link copied!