• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১,
এশিয়া কাপ ফাইনাল

টসের পর প্রেমাদাসায় বৃষ্টির হানা


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৩, ০৩:৪৫ পিএম
টসের পর প্রেমাদাসায় বৃষ্টির হানা
বৃষ্টির কারণে শেুরু হয়নি এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচ। ছবি : সংগৃহীত

টস হয়ে গেলও নির্দিষ্ট সময়ে মাঠে গড়াচ্ছে না ভারত-শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচ। কারণ টসের পরপরিই কলম্বোতে হানা দিয়েছে বৃষ্টি। এরইমধ্যে, পুরো মাঠ কাভারে ঢাকা হয়ে গেছে। বৃষ্টি শুরুর পর ভারতীয় কোচ রাহুল দ্রাবিড় বলেন, “আমরা আবহাওয়া নিয়ে কিছুটা চিন্তিত। পুরো এশিয়া কাপে আমরা দারুণ খেলেছি। ফাইনালেও নিজেদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত আছে ক্রিকেটাররা।”

এরআগে, টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ব্যাটিং নেওয়ার কারণ হিসেবে লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন সানাকা বলেন, বিকেলের দিকে উইকেটে বাড়তি সুবিধা পাবে বোলাররা।

ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেন, টস জিতলে তারাও ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতেন। এই ম্যাচে দুদলেই রয়েছে বেশ কিছু পরিবর্তন। সুপার ফোরের ম্যাচে ভারতের কাছে হেরেছিল লঙ্কানরা।

এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে সবচেয়ে সফল দুই দল ভারত ও শ্রীলঙ্কা। ১৬তম আসরেও দল দুটি শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে। শক্তিশালী দল নিয়েও দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য পাচ্ছে না ভারত। এশিয়া কাপ দিয়ে সেই খরা কাটাতে চায় রোহিত শর্মার দল।

সর্বোচ্চ ৭ বার এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। অন্যদিকে, চোট জর্জরিত দল নিয়েও ‘আন্ডারডগ’ তকমা নিয়ে ফাইনালে ওঠে লঙ্কানরা। তাদের সামনে এবার সপ্তম শিরোপা জয়ের সুযোগ।

গত আসরেও ফেভারিটের তালিকায় না থাকা লঙ্কানরা এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছিল। সেবার তারা পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপার উৎসবে মাতে। এবারও বাবর আজমের দলকে হারিয়ে সুপার ফোরের যাত্রা শুরু করেছিল দাসুন শানাকার দল। পরবর্তীতে বাংলাদেশকে হারিয়ে তারা সর্বোচ্চ ১৩তম বারের মতো ফাইনালে পা রাখে।

অন্যদিকে, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১তম বার ফাইনালে ওঠে ভারত। শেষ ম্যাচে তারা বাংলাদেশের কাছে ৬ রানে পরাজিত হয়।

ভারত একাদশ

রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, ইশান কিষান, হার্দিক পান্ডিয়া,রবিন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ জাদব, জাসপ্রীত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সিরাজ।

 শ্রীলঙ্কা একাদশ 

পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল পেরেরা, কুশল মেন্ডিস, সাদিরা সামারাবিক্রমা, চারিথ আসালাঙ্কা, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), দুনিথ ভেল্লালাগে, প্রমোদ মাদুশান, দুশান হেমন্থ ও মাথিশা পাথিরানা।

 

Link copied!