• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০, ১১ শা’বান ১৪৪৫

এলপিএল খেলার অভিজ্ঞতা এশিয়া কাপে কাজে দেবে : হৃদয়


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২৩, ০৮:৩১ পিএম
এলপিএল খেলার অভিজ্ঞতা এশিয়া কাপে কাজে দেবে : হৃদয়
ফাইল ছবি

লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ শেষ করে দেশে ফিরেছেন তাওহীদ হৃদয়। দেশে ফিরে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন তিনি। প্রথমবারের মতো দেশের বাহিরে কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলতে গিয়েই বাজিমাত করেছেন হৃদয়। ৬ ম্যাচ খেলে প্রায় ১৩৬ স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করে হৃদয় রান করেছেন ১৫৫। একটি ম্যাচে হাঁকিয়েছিলেন হাফ সেঞ্চুরি। পুরো টুর্নামেন্ট না খেলেও শ্রীলঙ্কায় ভালোবাসা পেয়েছেন হৃদয়। নিজেকে চিনিয়েছেন নতুন করে।

দেশে ফিরে গণমাধ্যমের সামনে নিজের লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের অভিজ্ঞতা জানালেন তরুণ এই ক্রিকেটার। জানিয়েছেন ভালো লাগার নানা দিক। পুরো টুর্নামেন্ট খেলতে না পারায় আফসোস আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে হৃদয় বলেন, ‘আমার কোনো আফসোস কাজ করে না। যা হয়েছে ভালো হয়েছে। আমি পুরো টুর্নামেন্টের জন্যও যাইনি। ওরা মাঝে আমাকে অনুরোধ করেছে। কিন্তু থাকা হয়নি। আমি যা মনে করি, যেটা হয়েছে ভালোই হয়েছে।’

লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) এই তরুণ ব্যাটার মুখোমুখি হয়েছিলেন জাতীয় দলের সতীর্থ সাকিব আল হাসানের। তাকে ছক্কাসহ বেশ কয়েকটি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন। ওই অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন হৃদয়। 

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সাকিব নিয়ে তিনি আরও বলেন,‘সাকিব ভাই তো অনেক অভিজ্ঞ বোলার। আর সেদিন উইকেটে বল একটু টার্ন করছিল। একটা জিনিস আমি দেখেছি, টি-টোয়েন্টিতে স্লো বা এত আস্তে বল উনি করে না স্বভাবত। ওইদিন উনি অনেক আস্তে বল করছিলেন। তখন বুঝতে পারছিলাম উনি কতটা অভিজ্ঞ। আস্তে বল ওই উইকেটে মারা যাচ্ছিল না। আমি যে বলটা মেরেছি, ওটা অনেক দূরে পড়েছে। ওই বল যদি আমি না পারতাম বা ডিফেন্স করতে যেতাম, আউট হওয়ার সুযোগ বেশি ছিল। এজন্য চেষ্টা করেছি ডু অর ডাই। ’

হৃদয়ের জাফনা কিংসের হয়েই খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার ডেভিড মিলার। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্য যাকে অনেকে বলেন ‘কিলার মিলার’। তার সঙ্গে ব্যাটিংও করেছেন হৃদয়। শুরুতে কিছুটা সংকোচ কাজ করলেও পরে মিলারের কাছ থেকে শিখেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 

হৃদয় বলেন, ‘মিলার আমাকে বারবার এপ্রিশিয়েট করছিল ওই সময়। বিশেষ করে সাকিব ভাইকে যে ছক্কাটা মেরেছি। শুধু মিলার না, পুরো দল আমাকে বারবার বলতেছিল এটা কী শট! ওরাও জানতে চাচ্ছিল। মিলার বলতেছিল এটা শট অব দ্য ডে। ম্যাচ শেষে মিলার আমার সঙ্গে অনেক্ষণ কথাও বলেছে ব্যাটিং নিয়ে। আমার কাছে শুনেছে কীভাবে কী করি। ’

লঙ্কান সমর্থকদের নিয়ে অভিজ্ঞতা জানিয়ে হৃদয় বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ ভালো (সাড়া) পেয়েছি। যখন বাউন্ডারিতে ফিল্ডিংয়ে যাই বা সাইডে যাই ওরা আমাকে চিনেছে এটাই আমার পাওয়া। সবসময় ডাকে হৃদয় হৃদয় বলে। ’

এলপিএলের অভিজ্ঞতা এশিয়া কাপে কাজে লাগতে পারে জানান হৃদয়।

এদিকে, হৃদয়কে নিয়ে জাফনার ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেইজে লেখা হয়েছে, ‘তিনি এলেন, জয় করলেন। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত আমাদের ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে তাকে। আমরা তরুণ এই সুপারস্তারের খুব উজ্জ্বল এক ভবিষ্যত কামনা করি। ধন্যবাদ হৃদয় ভাই।’ 

 

Link copied!