• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১, ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ৪, ২০২১, ০৯:২৯ পিএম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের

অজিদের স্বপ্নকে গুড়েবালি করে ৫ উইকেটের জয় ছিনিয়ে নেয় টাইগাররা। ম্যাচটা পেন্ডুলামের মতো দুললেও জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মাহমুদউল্লাহ বাহিনী। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইগারদের দ্বিতীয় জয় এটি। আফিফ ও নুরুলের অপরাজিত ৫৬ রানের জুটিতে ৮ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন তরুণ ব্যাটসম্যান আফিফ হোসাইন। 

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার খেলে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান করে অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ইনিংসে পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে দলীয় সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড গড়ে অজিরা। বোলিং সহায়ক পিচে বাংলাদেশকে ১২২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দেয় সফরকারীরা। 

সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার ম্যাচে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামে দুই দলই। বাংলাদেশের হয়ে উদ্ধোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে নামেন সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ নাঈম। 

অল্প রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। অজিদের থেকেও খারাপ শুরু পায় টাইগাররা। অজিরা যেখানে ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায়, বাংলাদেশের প্রথম উইকেট পড়ে সেখানে ৯ রানে। মিচেল স্টার্কের ফুললেংথের গোলার গতি না বুঝে আড়াআড়িভাবে ব্যাট চালিয়ে বোল্ড হয়ে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেন সৌম্য সরকার। 

সৌম্যের আউটের পর ক্রিজে এসেই গতি দানব স্টার্কের বলে টানা তিনটি চার মেরে রানের চাপ কমান সাকিব। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে জশ হ্যাজলউডের ফুললেংথর বলের লাইন মিস করে বোল্ড হয়েছেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ১৩ বলে ৯ রান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে টাইগাররা সংগ্রহ করে ৩২ রান। 

৩৭ রানের জুটি গড়ে সাকিব ও মেহেদীর দলকে ভালোই এগিয়ে নিচ্ছিলেন। কিন্তু বাধ সাধেন অ্যান্ড্রু টাই। টাইয়ের নাকল বলের লাইন মিস করে বোল্ড হয়ে ফিরেন সাকিব। অবশ্য এর আগে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান সাকিব। আউটের আগে ৪ টি চারের মাধ্যমে ১৭ বলে ২৬ রান করেন তিনি।  

এরপর অধিনায়ক মাঠে নামলেও কিছু করতে পারেননি। রানের খাতা খুলতেই পারেননি তিনি।  অজি স্পিনার অ্যাশটন অ্যাগারের টার্ন করে বেরিয়ে বলে ব্যাট লাগিয়ে বল ডেকে আনেন স্টাম্পে। ১ রানের ব্যবধানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। 

দলের চাপটা আরেকটু বাড়িয়ে দেন মেহেদী হাসান। অ্যাডাম জাম্পার বলে ডাউন দ্যা উইকেটে খেলতে গিয়ে স্টাম্পড হয়ে ফিরেন। দলের জন্য তিনি করেছেন গুরুত্বপূর্ণ ২৩ রান। তবে এরাআগে কয়েকবার আউট হতে পারতেন তিনি। আজ ভাগ্য সহায় হলেও বেশিদূর এগোতে পারেননি তিনি। 

এরপর গল্পটা তরুণ ব্যাটসম্যান আফিফ হোসেন ও উইকেট কিপার নুরুল হাসান সোহানের। চাপের মুখে তাদের অপরাজিত ৫৬ রানের জুটি দলকে এনে দিয়েছে জয়।নুরুল হাসান ২১* ও আফিফ ৩৭* রানে অপরাজিত থাকেন। 

এরআগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান করে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। অজিদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন মিচেল মার্শ। এছাড়া হেনরিকস ৩০, ক্যারি ১১ ও ফিলিপে ১০ রান করেন। 

টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুই উইকেট নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। এছাড়া সাকিব ও মেহেদীর ঝুলিতে রয়েছে একটি করে উইকেট। 

এরআগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ২৩ রানের জয় পেয়েছিলো বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ আগামী শুক্রবার (৬ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। 

Link copied!