• ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১,

ওয়ান–ইলেভেনের কুশীলবরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে : তথ্যমন্ত্রী


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৩, ০৬:০৪ পিএম
ওয়ান–ইলেভেনের কুশীলবরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে : তথ্যমন্ত্রী

ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবরা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, “যারা ষড়যন্ত্র করে, তারা ষড়যন্ত্র ছাড়া থাকতে পারে না। ষড়যন্ত্র সব সময় থাকবে। তারা বারবার ব্যর্থ হয়েছেন, এখনো ব্যর্থ হবেন।”

রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “সাড়ে চৌদ্দ বছরে ষড়যন্ত্র কী কম হয়েছে? বিডিআর বিদ্রোহ থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত বহু ষড়যন্ত্র হয়েছে। সব ষড়যন্ত্রকে পদদলিত করে, ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে দেশ এগিয়ে গেছে। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে শেখ হাসিনা পরপর তিনবার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। ভবিষ্যতে ষড়যন্ত্র থাকবে, সেগুলো ছিন্ন করে আমরা এগিয়ে যাব।”

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “এখন ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবরা আবার সক্রিয় হয়েছে।  তারা আবার ষড়যন্ত্র করে কিছু করতে পারে কিনা চেষ্টা করছে।”

এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, “ফেসবুকে আমি দেখলাম যে, ড. ইউনুস তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হচ্ছেন, আবার ফেসবুকে এটাও দেখেছি বিএনপি হিরো আলমকে পছন্দ করেছে। আসলে ফেসবুকের প্রচার-অপপ্রচার যাই বলেন, এগুলো নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কেউ নোবেল পুরস্কার পেলে কিংবা রাষ্ট্রপ্রধান হলে বা প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি তো আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এ দেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিচার হয়েছে এবং সাজা ভোগ করছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নোবেল বিজয়ীদের বিচার হয়েছে এবং তারা জেলও খেটেছেন। এমন উদাহরণ আছে।”

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছ। মোহাম্মদ ইউনুসের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা রেখে বলছি, সত্যটা হচ্ছে এই শ্রমিকদের ৫ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দেওয়ার কথা ছিল, যার মূল্য হচ্ছে ১২০০ কোটি টাকা। সেটি তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে এবং ঘুষ দিয়ে ৪০০ কোটি টাকায় নামিয়েছিলেন। সেটিও তিনি দেননি। সেজন্য বিচার হচ্ছে।”

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, “দেশে আরও অনেক মামলা রয়েছে। কেউ তো আইনের বা বিচারের ঊর্ধ্বে নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিচার হচ্ছে। আমাদের দেশের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিবৃতি দেওয়া দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপের শামিল। সেজন্য দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ এবং সাংবাদিকেরা এর বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন।”

Link copied!