• ঢাকা
  • রবিবার, ২১ জুলাই, ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১, ১৪ মুহররম ১৪৪৫

সোনালী ব্যাংকের পদও হারালেন ছাগল–কাণ্ডের সেই মতিউর


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৪, ০৫:১৭ পিএম
সোনালী ব্যাংকের পদও হারালেন ছাগল–কাণ্ডের সেই মতিউর
মতিউর রহমান। ফাইল ফটো

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর এবার সোনালী ব্যাংক থে‌কেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ছাগল–কাণ্ডের আলোচিত মতিউর রহমানকে।

রোববার (২৩ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনালী ব্যাংকের পর্ষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।

জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী বলেন, “আলোচিত মতিউর রহমানকে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে তাকে আজকের বোর্ড সভায় উপস্থিত থাকতে নিষেধ করা হয়েছিল।”

এর আগে রোববার সকালে মতিউর রহমানকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) থেকে সরিয়ে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। তবে, কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ‘জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।’

এর আগে ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ‘সাদিক অ্যাগ্রো’ ফার্ম থেকে অ্যাগ্রো বিটল প্রজাতির খাসি ১৫ লাখ টাকায় কিনে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। সাদিক অ্যাগ্রোতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে ওই ছাগলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ইফাত বলেন, “এ রকম একটি খাসি কেনা আমার স্বপ্ন ছিল। এ রকম খাসি আমার জীবনে প্রথম দেখা। এটা আমার হবে, জানা ছিল না। আল্লাহ নসিবে রাখছে, তাই হয়েছে। ১১ জুন এটি ধানমন্ডি-৮ এ ডেলিভারি দেওয়া হবে।”

ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গুঞ্জন ওঠে, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে। রাজস্ব কর্মকর্তা বাবার দুর্নীতির টাকায় তিনি ১৫ লাখ টাকায় খাসিটি কিনেছিলেন। এ ঘটনায় ওই ছেলে ও তার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে চলছে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা। বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টে খাসির ক্রেতা যুবকের বাবার দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তবে ইফাত নিজের সন্তান নন বলে দাবি করেন মতিউর।

ছাগলের হিসাবনিকাশ বাদ দিয়ে এখন আলোচনা চলছে মতিউর রহমানের সম্পদ নিয়ে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি এই কর্মকর্তা দুর্নীতির মাধ্যমে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। এরইমধ্যে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য জানতে মাঠে নেমেছে। প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে।

Link copied!