• ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১, ৮ মুহররম ১৪৪৫

খুনের পর হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ ‘আনার শেষ’


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৪, ১০:৩০ এএম
খুনের পর হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ ‘আনার শেষ’
আনোয়ারুল আজীম। ছবি : সংগৃহীত

শুধু চোরাকারবারি নয় ঝিনাইদহ-৪  আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ ছিল বলেও ধারণা করছে তদন্তকারীরা। এ-সম্পর্কিত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা কাজী কামাল আহম্মেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুকে গ্রেপ্তারের পর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে আটক করেছে পুলিশ। 

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ঝিনাইদহের কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার মোবাইলে খুনিরা খুদেবার্তা পাঠায়, ‘মিশন সফল’ এটা জানানোর জন্য। আনার হত্যাকাণ্ডের পর সঞ্জিবা গার্ডেন থেকে শিমুল ভূঁইয়া শাহীনের মোবাইলে যেসব ছবি পাঠিয়েছিল, সেগুলো শাহীনই প্রথম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিন্টুর মোবাইলে পাঠিয়ে বলে ‘আনার শেষ, মনোনয়ন কনফার্ম’। আর বাবুর সঙ্গে যেদিন ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে শিমুল ভূঁইয়ার দেখা হয় সেদিন শিমুল আনার হত্যার ছবিগুলো বাবুর কাছে পাঠায়। কারণ শাহীন আগে থেকেই শিমুলকে বলেছিল এসব ছবি দেখিয়ে যেন বাবুর কাছ থেকে দুই কোটি টাকা নেয়। 

ডিবি বলছে, পলাতক শাহীনের সঙ্গে সবারই যোগাযোগ ছিল। শাহীন খুব ঠান্ডা মাথায় সব পক্ষকেই ব্যবহার করেছে। এ ঘটনায় সে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আনার হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারীরা এক হলেও তাদের একটি অংশের সঙ্গে মিশন বাস্তবায়নকারীদের যোগাযোগ ছিল না। বিশেষ করে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে মিশন বাস্তবায়নকারীদের বিস্তর দূরত্ব ছিল।

শুধু কিলার শিমুল ভূঁইয়ার সঙ্গে ১৬ মে বাবুর মোবাইলে কথাবার্তা ও হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ চালাচালি এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে সাক্ষাৎ হয়। যার তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। আসামিরা তার ফোনে আনারের মরদেহের ছবি পাঠায়।

Link copied!