• ঢাকা
  • সোমবার, ২০ মে, ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১,

ঈদে তৃণমূলে যে ‘মেসেজ’ দিয়েছে আ.লীগ


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৪, ২০২৩, ০৯:৪৬ পিএম
ঈদে তৃণমূলে যে ‘মেসেজ’ দিয়েছে আ.লীগ

পবিত্র ঈদ ও ঈদ-পরবর্তীতে মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নির্বাচনী জনসংযোগকে প্রাধান্য দিয়েছেন টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রী-এমপিরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা তুলে ধরেছেন নৌকার সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরাও। দ্বাদশ নির্বাচন সামনে রেখে প্রত্যেকেই নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় এবার ঈদ উদযাপন করেছেন এবং দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী মেসেজ তৃণমূল আওয়ামী লীগে পৌঁছে দিয়েছেন নেতারা।

নেতারা বলছেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনেক চ্যালেঞ্জ হবে। তাই ভোটারদের মন জয়ের মধ্য দিয়ে যেকোনো মূল্যে নির্বাচনে অর্জন করতে হবে।

এবারে ঈদে আওয়ামী লীগের অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতা, এমপি ও মন্ত্রী ঢাকার বাইরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করেছেন। আর কয়েক মাস পরেই অর্থাৎ ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির শুরুতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। এরই অংশ হিসেবে এবারের ঈদের আগে ও পরে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে মাধ্যমে নির্বাচনী জনসংযোগও করছেন আওয়ামী লীগের নেতা, এমপি ও মন্ত্রীরা।

এর আগে গণভবনে এক বেঠকে ঈদে নেতাকর্মীদের এলাকায় গিয়ে জনসংযোগ করার নির্দেশ দেন দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে জনসংযোগ করতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি। বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে অসহায়, দুস্থ এবং গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেন। ওই সব কর্মসূচির মাধ্যমে দলকে আরও গতিশীল করা এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস সম্পর্কে দেশবাসীকে সচেতন করাসহ সারা দেশের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়াও দলীয় নেতাদের কর্মীদের বৃক্ষ রোপণ করতেও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওই সব নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রী-এমপি ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক ও বর্তমান নেতারা।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, “অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এবার ঈদকে কেন্দ্র করে তৃণমূলে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক জনসংযোগ ও অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন দলের নেতাকর্মীর, যা অতীতে কোনো সরকার কিংবা দলের নেতাকর্মীরা করেননি।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারের অসংখ্য প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধসহ সব পর্যায়ের জনগণকে নানা ধরনের ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। এই ভাতাগুলো উপকারভোগীদের কাছে সরাসরি যাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে নেতাকর্মীরা খোঁজখবর নিয়েছেন।”

দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা জানান, আগামী ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তাই ঈদের আগে-পরের এ সময়টাকেও নির্বাচনী জনসযোগে কাজে লাগানো হচ্ছে। প্রত্যেকে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় দলের স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে বা নিজের সঙ্গে নেতাকর্মীদের কোনো মতপার্থক্য থাকলে সেটা দূর করা এবং কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। এর পাশাপাশি নানা পেশা-শ্রেণির ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন এবং আগামী নির্বাচনে তারা যাতে আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকে ও ভোট দেয়, সে জন্য তাদের অনুরোধ জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, “দেশের শান্তি ও উন্নতি ধরে রাখার জন্য অসহায় দরিদ্র মানুষ ও সরকারের সুফল ভোগকারীরা শেখ হাসিনাকে আবারও ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটেই দেশ পরিচালনা করতে চায় আওয়ামী লীগ।”

শনিবার (২২ এপ্রিল) সকালে পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সমস্য শাজাহান খান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান খান, পৌর মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ, রাজনৈতিক-সামাজিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ।

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে সমর্থন করে, দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্য ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে শেখ হাসিনাকে ভালোবাসে মানুষ। আগামী ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে। নির্বাচন কমিশন আয়োজন করবে। সব দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসুক, এটা আওয়ামী লীগের প্রত্যাশা। যারা নির্বাচনে অংশ নেবে, তাদের কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাররা ভোট দেবে।”

রাজনৈতিক কর্মীদের আচরণে যেন কোনো মানুষ কষ্ট না পায়

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, “রাজনৈতিক কর্মীদের আচরণে যেন কোনো মানুষ কষ্ট না পায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। একজন গ্রামের, চরাঞ্চলের ও শহরের বস্তির মানুষ যারা আমাদের পাশে বসবাস করেন, তারা তো শেখ হাসিনাকে দেখছেন না, তারা আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে আমাদের দেখছেন। তারা আমাদের দিকে তাকিয়ে এবং হিসাব-নিকাশ করেই নৌকায় ভোট দেবেন।”

রোববার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার মন্ত্রীর নিজ বাসভবনে ঈদ-পরবর্তী আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতিবিনিময়কালে এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশের সবার স্বপ্ন, তার প্রতি সবার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। কিন্তু আমরা যারা তার কর্মী হিসেবে কাজ করি, আমরা সেই ভালোবাসার জায়গাটি ধরে রাখতে পারছি কি না, সেটাও দেখতে হবে। আমার আচরণে যদি নৌকার ভোট নষ্ট হয়, সেটা তো খুবই খারাপ কথা। তাহলে আমাদের সবার সচেতন থাকতে হবে। কোনো কাজে কিংবা আচরণে কেউ যেন কষ্ট না পায়।”

দীপু মনি বলেন, “বিভিন্ন কাজে আমরা আমাদের বন্ধুবান্ধবের পাশে দাঁড়াই। কিন্তু আমাদের চিন্তা করতে হবে আমি যে কাজে তার পাশে দাঁড়াচ্ছি, সে কাজটি সঠিক কি না। একজন মানুষের জন্য তার পরিবার গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু যিনি রাজনীতি করেন, তার কাছে পরিবারের চাইতে বড় দেশ ও দেশের জনগণ।”

ঈদ-পরবর্তী গণসংযোগে নেমেছেন যারা

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের ইলেটগঞ্জ শহিদ নগর ও উত্তর ইউনিয়ন-গৌরীপুরসহ বিভিন্ন এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঈদ শুভেচ্ছা ও জনসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর।

সোমবার (২৪ এপ্রিল)  দিনভর সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়ন তুলে ধরে জনসংযোগ করেন তিনি।

কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে নৌকায় ভোট চেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী আলোচিত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ। তিনি মসুয়া-আচমিতা ও সহস্রাম ডোলদিয়া এলাকার মানুষের সঙ্গে দেখা করেন এবং আওয়ামী লীগের আমলে ভোটাররা কী কী সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, তা তুলে ধরেন তিনি। এ সময় এলাকাবাসী আব্দুল কাহার আকন্দকে দ্বাদশ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হতে আহ্বান জানান এবং এলাকাবাসী প্রতিশ্রুতি দেন ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।

ঈদের দিন নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনা সোনারগাঁ উপজেলাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ঈদ জামাত আদায় করেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছে দ্বাদশ নির্বাচনে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নৌকায় ভোট চাইতে দলীয় নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।

সোমবার (২৪ এপ্রিল) নিজ বাসভবন সোনারগাঁয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। 
সবার অব্যাহত সুখ, শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে সাবেক সংসদ সদস্য কায়সার হাসনাত বলেন, “জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে থাকে, নিরাপদে থাকে। তাই উন্নয়ন, অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে। এ জন্য দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বঙ্গবন্ধুকন্যা সোনার বাংলার গড়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০৪১ সালের আগেই এ দেশ উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাবে।”

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে নৌকার মনোনয়ন পেতে দিন-রাত অবিরাম জনসেবা করে যাচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার তুহিন আহাম্মদ খান। ইতোমধ্যে ঈদের আগেপরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ১১টি ইউনিয়নেই খুব সুশৃঙ্খলভাবে ‘ঈদ উপহার’ সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে এলাকার মেধাবী যুবক ও প্রবীণ (ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নেতাকর্মী) সমাজকর্মীদের নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে-দুয়ারে আওয়ামী লীগের পক্ষে আগাম ভোট চাইছেন। সোমবার দুপুরে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে। কারণ, তৃণমূলে এখনো আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ইউনিয়ন-ওয়ার্ড নেতাকর্মীরা অনেক শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ। গত একটি মাস আমি দেখেছি, এই প্রখর রোদকে উপেক্ষা করে রোজা রাখা অবস্থায় প্রতিদিন শেখ হাসিনার ঈদ উপহার সঠিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে দলের কর্মীরা কীভাবে সহযোগিতা করেছে। এতেই বোঝা যায় আওয়ামী লীগের ধারে কাছেও নেই কোনো রাজনীতিক দল।”

একইভাবে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে এবার মনোনয়ন চান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজাসহ অন্তত এক ডজন সাবেক বর্তমান ছাত্রনেতা। তবে তাদের ছাপিয়ে হঠাৎ আলোচনায় এসেছেন যুবনেতা এইচ এম রেজাউল করিম রেজা। এরই মধ্যে তিনি এলাকাবাসীর বিপদ-আপদে নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রনেতা জুয়েল হাওলাদারসহ অনেকে।

ওই আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ। এ ছাড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা যোবায়দুল হক রাসেল। এ ছাড়া মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে মাঠে না থাকলেও পর্দার অন্তরালে সক্রিয় রয়েছেন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. ফিরোজ আলম। একইভাবে দেশের প্রতিটি সংসদীয় আসনে নৌকার মনোনয়নের আশায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন আনেকে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, “অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতাই এবার ঈদে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনা তারা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যাচ্ছেন।”

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “আগামী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আমাদের খুব সতর্ক হতে হবে। বিএনপি-জামায়াত আগুন-সন্ত্রাসের পথে আবার নেমেছে। ওরা বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেবে না। সে কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবরা নেমেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আজকে যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, তখন কিছু অপশক্তি মাঠে নেমেছে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য। শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। আমাদের সবাইকে পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে প্রতিটি এলাকায় এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে।”

Link copied!