• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১, ১১ মুহররম ১৪৪৫

‘মেধাসম্পদের উন্নয়ন এসডিজি বাস্তবায়নে অবদান রাখবে’


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২২, ১০:০১ পিএম
‘মেধাসম্পদের উন্নয়ন এসডিজি বাস্তবায়নে অবদান রাখবে’

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, “সরকার মেধাসম্পদকে টেকসই উন্নয়নের অন্যতম মানদণ্ড ধরে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা ও সূচকসমূহ নির্ধারণ করেছে। মেধাসম্পদের সুরক্ষা ও উন্নয়ন এসডিজি বাস্তবায়নে অবদান রাখবে।”

সোমবার (১ আগস্ট) রাজধানীর রমনায় তথ্য ভবনে শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস (আইপিআর)’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন।

নূরুল মজিদ বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ দেশের উন্নয়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে।”

শিল্পমন্ত্রী বলেন, “প্রাকৃতিক মেধাকে কাজে লাগিয়ে সম্পদে পরিণত করে শিল্প উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ করা দরকার। কারণ ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি’-ই একমাত্র প্রপার্টি, যার উৎস অসীম এবং সম্ভাবনা অফুরন্ত। এই সম্ভবনাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটি আমাদের মেধাসম্পদ নীতিমালা এবং শিল্পনীতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণের স্বার্থে আমাদের সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণে এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।”

নূরুল মজিদ বলেন, “যে চেতনাকে ধারণ করে রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছে, বিশ্ব মানচিত্রে এখন প্রয়োজন তার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা। এক্ষেত্রে মেধাসম্পদের বিকাশ ও সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নাই। আজ সময় এসেছে শিল্পায়নের, আজ সময় এসেছে মেধাসম্পদ বিকাশ ও সংরক্ষণের। আজ সময় এসেছে নব উদ্ভাবন সৃষ্টিকে উৎসাহিত করার। আর এজন্য দরকার একটি সুপরিকল্পিত ‘ভিশন’ এবং প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা।”

শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মকবুল হোসেন, সংস্কৃতি সচিব আবুল মনসুর, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ব্যবসায়ী চেম্বারের নেতারা।

প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইপিএবির মহাপরিচালক মো. আজিজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন ড. সীমা জামান, ডিপিডিটির রেজিস্ট্রার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান।
 

Link copied!