• ঢাকা
  • রবিবার, ২১ জুলাই, ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১, ১৪ মুহররম ১৪৪৫

আমের খোসা দিয়েও হবে রূপচর্চা


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২২, ১১:২৮ এএম
আমের খোসা দিয়েও হবে রূপচর্চা

আমের মৌসুম চাঙ্গা হচ্ছে। পাকা আমের অপেক্ষায় দিন গুণছে সবাই। স্বাদে আর গুণে এই ফলের জুড়ি নেই। ভ্যাপসা গরমে আম খেলে আরও গরম লাগে। তবুও আম খাওয়ায় আপস নেই। মৌসুমে আম না খেলে কী তৃপ্তি মেলে!

অমৃত স্বাদের আম খেতে যেমন দারুন, তেমনি রূপচর্চায়ও এর জুড়ি নেই। পাকা আমের প্যাক ত্বকের জন্য কতটা ভালো তা তো আমরা জানি। কিন্তু আমের খোসাও যে ত্বকের যত্নে কাজ করে, সেই তথ্য অনেকের অজানা। হ্যাঁ, আমের খোসার ফেলে না দিয়ে তা রূপচর্চায় কাজে লাগান। বলিরেখার সমাধান থেকে শুরু করে ত্বকের জেল্লা ভাব ফিরিয়ে আনবে আমের খোসা। 

ত্বকের যত্নে অত্যন্ত উপকারী আম। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডিন্ট রয়েছে। যা ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধ করে। গরমে পাকা আমের ফেসপ্যাক ব্যবহারে সমস্যার সমাধান মেলে। তার আগে আমের খোসা দিয়েই চেষ্টা করে দেখুন। সতেজ-উজ্জ্বলতার পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতা ফেরাবে আমের খোসা।

আমের খোসায় রূপচর্চায় যে সমাধান পাওয়া যাবে তাতে নজর দেওয়া যাক_

ত্বকের জেল্লা ফেরাবে

নিখুঁত ত্বক পাওয়া যাবে আমের খোসায়। তাও আবার একদমই ঝামেলা ছাড়া। এটি দিয়ে ত্বকের জেল্লা ফেরাতে পারবেন। শুধু একটি রুটিন অনুসরণ করুন। আমের খোসা না ছাড়িয়ে তাতে মধু দিন। এবার সেই খোসা মুখে ঘষুন। ৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে মুখ পারিস্কার করে নিন। প্রতিদিন গোসল করার আগে এই রুটিন অনুসরণ করুন। এক সপ্তাহের মধ্যেই ফল পাবেন। 

রোমাকূপের সমস্যা

মুখের ত্বকে ওপেন পোরস বা ছিদ্র থাকলে বাজে দেখায়। মেকআপ করলেও তা ফুটে উঠে না। এর সমাধানও পাবেন আমের খোসা থেকেই। আম খাওয়ার সময় খোসা ছাড়িয়ে আলাদা করে নিন। এই খোসা কিছুক্ষণ ফ্রিজে রাখুন। এক ঘণ্টা পর এই খোসা দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। ত্বককে শিথিল করার পাশাপাশি এটি ছিদ্রগুলোকে সঙ্কুচিত করবে। ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলেও এই প্রক্রিয়ায় সমাধান পাবেন। প্রতিদিনই ত্বক ম্যাসাজের জন্য় ব্যবহার করুন আমের খোসা।

ট্যানিং দূর করতে

রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক বিবর্ণ হয়ে যায়। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালের প্রচণ্ড গরমে এমন সমস্যা সবসময়ই হয়। সানবার্ণ হয় ত্বক। কালচে ভাবে পড়ে। এমন সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে আমের খোসা। এর জন্য় একটি ফেসপ্যাক বানিয়ে নিন। আমের খোসা পিষে এর সঙ্গে দই মিশিয়ে নিন। ঘন পেস্ট বানিয়ে মুখে ও গলার ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। টানা ১০ দিন এই প্যাকটি ব্যবহার করুন। উপকার পাবেন। ট্যানিংয়ের সমস্যা দূর হবে।

স্ক্রাব তৈরি করুন

আমের খোসা দিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন। এটি ত্বকের জন্য খুব ভালো। আমের খোসা ভালো করে পিষে নিন। এতে কফি পাউডার মেশান। মিশ্রণটি মুখ এবং শরীরের ত্বকে স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। এরপর ত্বকে লাগাবেন। মনে রাখবেন, আমের খোসার এই স্ক্রাব দিয়ে ত্বক পরিস্কারের পর আর কোনো সাবান বা ক্লিনজার ব্যবহার করবেন না। স্ক্রাব ব্যবহারের পরদিন ত্বক পরিস্কারের ক্লিনজার ব্যবহার করুন।

Link copied!