• ঢাকা
  • বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০, ১০ শা’বান ১৪৪৫

ডাবলিনে শিশুসহ ৫ জন ছুরিকাঘাতে বিক্ষোভ-সংঘাত


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: নভেম্বর ২৪, ২০২৩, ০৮:১৩ এএম
ডাবলিনে শিশুসহ ৫ জন  ছুরিকাঘাতে বিক্ষোভ-সংঘাত

আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে তিন শিশুসহ পাঁচজন আহত হওয়ার ঘটনায় সেখানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভকারীরা। বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। ব্যাহত হয়ে পড়েছে শহরে গণপরিবহন চলাচল। এছাড়া দোকান লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে ডাবলিনের সিটি সেন্টার এলাকায় ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর সেখানে ছড়িয়ে পড়ে তুমুল বিক্ষোভ।

খবর-বিবিসি ও রয়টার্স।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ডাবলিনের একটি স্কুলের বাইরে বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত শিশুদের ওপর হামলা চালায়। আইরিশ পুলিশ প্রধান ড্রিউ হ্যারিস এই ঘটনার জন্য একটি অতি ডানপন্থী মতাদর্শের গ্রুপকে দায়ী করেছেন।

ডাবলিনে বিক্ষোভ ও সহিংসতা নিয়ে আয়ারল্যান্ডের বিচারবিষয়ক মন্ত্রী হেলেন ম্যাকএন্টি বলেছেন, শহরে যে পরিস্থিতি দেখা গেছে এবং পুলিশের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা সহ্য করা হবে না। এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি সবাইকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে বৃহস্পতিবারের ছুরিকাঘাতের ঘটনা সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট বলে মনে করছে না আয়ারল্যান্ড পুলিশ। পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট লিয়াম জেরাটি বলেন, পাঁচ বছর বয়সী একটি মেয়ে শিশুর আঘাত গুরুতর। তার তুলনায় কম আহত হয়েছে ছয় বছর বয়সী আরেক মেয়ে শিশু ও পাঁচ বছর বয়সী এক ছেলে শিশু। তাকে চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় আরেক নারীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সন্দেহভাজন হামলাকারীর বয়স পঞ্চাশের কোঠায়। তিনিও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার জাতীয়তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নানা তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে পুলিশপ্রধান কোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সতর্ক করেছেন।

ঘটনার সময় সেখানে ছিলেন সিওভান কেয়ারনি নামের এক নারী। তিনি বলেন, রাস্তার অপর পাশ থেকে তিনি এক ব্যক্তিকে হামলা চালাতে দেখেন। তখন তিনি সাহায্য করার জন্য রাস্তা পেরিয়ে সেখানে যান। এ সময় এক ব্যক্তি হামলাকারীর কাছ থেকে ছুরিটি ছিনিয়ে নেন। আরেকজন সেটি দূরে সরিয়ে দেন। এরপর হামলাকারীকে আটক করেন সেখানে থাকা লোকজন।

হামলার ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইরিশ লেবার পার্টির সদস্য ও স্থানীয় আইনপ্রণেতা আওডান ও রিওরডাইন। তিনি বলেন, ‘আশা করছি আহতদের আঘাত অতটাও গুরুতর নয়। তবে সংশ্লিষ্ট সবার ওপর এই হামলা প্রভাব ফেলবে।’
 

Link copied!