• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১, ১৯ মুহররম ১৪৪৫

তীব্র হচ্ছে মাখোঁ ও লে পেনের নির্বাচনি লড়াই


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২২, ০৭:৩৮ পিএম
তীব্র হচ্ছে মাখোঁ ও লে পেনের নির্বাচনি লড়াই

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম ধাপে এগিয়ে আছেন এমানুয়েল মাখোঁ। দ্বিতীয় ধাপের আগে মাখোঁ ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মারি লে পেনের মধ্যে লড়াই বাড়ছে। ইতোমধ্যে লে পেনের প্রতি তীব্র আক্রমণ শুরু করেছেন মাখোঁ।

নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে একদল সাংবাদিকের কাছে সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানান লে পেন। দেশের আইনে মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাবর্তন অস্বীকার করেছেন তিনি। বিষয়টি ‘স্বৈরাচারী’ আচরন বলে আখ্যায়িত করেছেন মাখোঁ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এবার প্রথম রাউন্ডের দৌড়ে সঠিকভাবে প্রচারণা না করার জন্য সমালোচিত হয়েছেন মাখোঁ। ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় ধাপের আগে কৌশল পরিবর্তন করেছেন তিনি। প্রথম ধাপে যেসব এলাকা থেকে তার বিরুদ্ধে বেশি ভোট এসেছে সেসব এলাকায় প্রচারণায় নেমেছেন মাখোঁ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতি আক্রমনাত্মক বক্তব্য অব্যাহত রেখেছেন তিনি। 

লে পেনের দেওয়া ইশতেহারকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করছেন মাখোঁ। তার দাবি, “লে পেন যেসব ইশতেহার ঘোষণা করেছেন সেসব সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’। এই ইশতেহার বাস্তবায়ন হলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ফ্রান্স বাদ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

এদিকে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী লে পেন। তিনি নির্বাচিত হলে গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন সেসব জানাতে এই আয়োজন করা হয়। তবে অনুষ্ঠানে একদল সাংবাদিককে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব না দিয়ে অনুষ্ঠান বাতিল করেন লে পেন।

তিনি জানান, সেখানে সাংবাদিকতার চেয়ে ‘বিনোদন’ হচ্ছিল বেশি।

এই ঘটনার পর লে পেনের প্রতি তীব্র আক্রমণ শুরু করেছেন মাখোঁ। 

ফ্রান্সের এক টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও অতি ডানপন্থীদের আসল চেহারা দেখা যাচ্ছে। তারা স্বাধীনতা, সাংবিধানিক কাঠামো, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মৌলিক স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকারকে সম্মান করে না। যার কেন্দ্রে রয়েছে আমাদের মূল্যবোধ। যেমন মৃত্যুদণ্ডের বিলোপ।”

লে পেনের প্রতি ইঙ্গিত করে মাখোঁ আরও বলেন, “এটি একটি ‘কর্তৃত্ববাদী প্রবাহ’ এর সূচনা।”

মাখোঁ ও মারি লো পেন উভয় প্রার্থীই ২০১৭ সালের নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন। সেবার মধ্যপন্থী মাখোঁকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচন করে জনগণ। ডানপন্থী লে পেনকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখার জন্য সহজেই পরাজিত করা হয়েছিল। এবার আর পূর্বের মতো পরিস্থিতি নেই। লে পেনের সামনে এবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন মাখোঁ।

এবারের প্রথম দফা নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ পেয়েছেন ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মারি লো পেন পেয়েছেন ২৩ দশমিক ১ শতাংশ ভোট।

এছাড়া আরেক প্রার্থী জঁ লুক মেলনশোঁ পেয়েছেন ২১ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট ও এরিক জেমুর পেয়েছেন ৭ দশমিক ১ শতাংশ ভোট।

Link copied!