চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রকি মন্ডল এবং এএসআই সাহাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে আসামি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ অক্টোবর) তাদের চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করা হয়।
জানা গেছে, হাসাদহ গ্রামের শাকুব আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম, নুরুল মোল্লার ছেলে সজল, ইউনুসের ছেলে শফি ও চান্দুর ছেলে রানাকে মাদক সেবনের অভিযোগে আটক করে পুলিশ।
হাসাদহ গ্রামের হুগলা কুড়ো বিলের ধার থেকে বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাদের আটক করে এএসআই সাহাজুল। একপর্যায়ে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ওই দিন রাতে আনুমানিক ১১টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে একপর্যায়ে ২০ হাজার টাকা বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেরত দেওয়া হয়। ঘটনাটি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জেনে গেলে তাদের শুক্রবার সকালে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, হাসাদহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রকি মন্ডল ও এএসআই সাহাজুল ইসলামকে অপেশাদারত্বের কারণে পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করা হয়েছে।




































