নিজের বাল্যবিয়ে ভাঙতে আইনি সহায়তা চেয়ে নিজেই দরখাস্ত নিয়ে থানায় হাজির হয়েছে এক স্কুলছাত্রী।
মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই স্কুলছাত্রী চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হাজির হয়ে ওসির কাছে দরখাস্ত জমা দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা ওই স্কুলছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বাল্যবিয়ে রুখে দেওয়া হয়।
ওই স্কুলছাত্রী শহরের ঝিনুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী।
-20210928114140.jpeg)
পুলিশ জানায়, ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরীর বাবা চা দোকানদার। মা একটি মুড়ির কারখানায় দৈনিক হাজিরায় কাজ করেন। সম্প্রতি তার খালা ও মা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিশোরী তাদের বারবার বুঝানো সত্ত্বেও তারা সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন এবং ছেলে ঠিক করেন। উপায় না দেখে সেই কিশোরী নিজেই থানায় এসে উপস্থিত হন। সম্প্রতি একই এলাকায় পুলিশ আরেকটি বাল্যবিয়ে ভেঙে দেওয়ায় উৎসাহিত হয়ে এই কিশোরী পুলিশের কাছে আসেন বলে জানান। পরে পুলিশের একটি দল কিশোরীর বাসায় গিয়ে তার মা ও বাবাকে বুঝিয়ে বলার পর তারা তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন এবং মেয়ের পড়াশোনা চালিয়ে যাবার ব্যাপারে সম্মত হন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, “আজ সকালে আমাদের থানায় এক শিক্ষার্থী একটি দরখাস্ত নিয়ে আসেন। তার অভিযোগ, তার মা ও খালা তাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু ওই মেয়ে পড়তে চান। পরে আমরা গিয়ে তার মা-বাবাকে বুঝিয়ে বিয়ে বন্ধ করে তার পড়াশোনা সচল রাখার ব্যবস্থা নিই।”





































