জয়পুরহাট প্রতারণার মাধ্যমে নকল স্বর্ণের বৌদ্ধমূর্তি বিক্রির অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে জয়পুরহাট র্যাব-৫। ওই প্রতারকের নাম আলম মিয়া ওরফে আলমগীর (৪২)। তিনি কালাই উপজেলার মালটিয়া গ্রামের মৃত আফতাব হোসেন ছেলে।
রোববার (৪ ডিসেম্বর) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাসুদ রানা (ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক)।
র্যাব জানায়, প্রতারণার শিকার ভূক্তভোগী শ্রী বিপ্লব দাসের (৪৪) অভিযোগের ভিত্তিতে নকল স্বর্ণের বৌদ্ধমূর্তিসহ আলম মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার নুনুজ বাজারের চায়ের দোকানে আলম মিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী বিপ্লবের। এই সময় ভুক্তভোগীর সঙ্গে মোবাইল নম্বর আদান-প্রদানের মাধ্যমে প্রতারক ভুক্তভোগীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
পরবর্তীতে বিবাদী ভুক্তভোগীকে ফোন দিয়ে জানায় যে, তার এক আত্মীয়ের পুকুর খনন করতে গিয়ে একটি স্বর্ণের বৌদ্ধমূর্তি পেয়েছে। যার দাম প্রায় ১০ লাখ টাকা। পরে তা অল্প দামে বিক্রির প্রস্তাব দিলে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে স্বর্ণের মূর্তি ক্রয় করেন বিপ্লব। পরবর্তীতে তিনি স্বর্ণকারের দোকানে মূর্তি পরীক্ষা করাতে গেলে তার মধ্যে স্বর্ণের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে জানা যায়।
পরবর্তীতে নকল স্বর্ণের বৌদ্ধমূর্তিটি ফেরত দিতে যান বিপ্লব। পরে তার দেওয়া টাকা ফেরত চাইলে প্রতারক চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ মেরে ফেলার হুমকি দিলে ভূক্তভোগী জীবন রক্ষার্থে সেখান থেকে পালিয়ে চলে আসেন।
বিপ্লব জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পে অভিযোগ করলে শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকালে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নকল স্বর্ণের বৌদ্ধমূর্তিসহ বিক্রির সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের মুলহোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই চক্রের অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জন র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে আলম মিয়ার বিরুদ্ধে কালাই থানায় মামলা করা হয়েছে।






















