ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায়। ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন অধিনায়ক লিটন দাস।
ম্যাচের শুরুতেই মাত্র ২৩ রানেই ওপেনার শিখর ধাওয়ানকে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ। দলীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা বিরাট কোহলির সাথে জুটি বাধেন। তবে তাদের জুটিকে বড় করতে দেননি টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। প্রথমে শুরুটা করেছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে দিয়ে। ইনিংসের ১১তম ওভারে বল হাতে নিয়েই প্রথম ওভারে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপের দুই স্তম্ভকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন সাকিব।
প্রথমে শিকার বানালেন রোহিতকে। সরাসরি বোল্ড হলেন ভারতীয় অধিনায়ক। তিনি ৩১ বলে মাত্র ২৭ রানে ফেরেন। একই ওভারে লিটন দাসের অবিশ্বাস্য ক্যাচে সাকিব পান বিরাট কোহলির উইকেট। এই উইকেটের কৃতিত্ব অবশ্য লিটনেরই প্রাপ্য। তিনি ঝাঁপিয়ে না পড়লে এটা তালুবন্দী করতে পারতেন না।
প্রথম তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপর্যস্ত ভারতের হাল ধরেন শ্রেয়াস আইয়ার ও লোকেশ রাহুল। দলের ৯২ রানে এই জুটি ভাঙেন এবাদত হোসেন। শ্রেয়াস ৩৯ বলে ২৪ রান করেন। এরপর যখন ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়ে জুটি গড়ছিলেন ভারতীয় ব্যাটার কেএল রাহুল, তখন ৩৩তম ওভারে আবার সাকিবের হাতেই বল তুলে দেন অধিনায়ক লিটন। সাকিব এবারও হতাশ করেননি। সুন্দরকে এবাদত হোসেনের ক্যাচ বানিয়ে ভাঙেন ভারতের ৬০ রানের জুটি।
এক রান পরেই সাকিবকে ক্যাচ দিয়ে এবাদত শাহবাজ আহমেদকে শূন্য রানে ফেরান। এর পরের ওভারেই আবার সাকিবের জোড়া শিকার। ৩৪তম ওভারের প্রথম বলে শারদুল ঠাকুরকে বোল্ড করেন। এরপর একই ওভারের চতুর্থ বলে দিপক চাহারকে ফিরিয়ে পাঁচ নম্বর উইকেট তুলে নেন।
সাকিব, এবাদতের বোলিং নৈপুণ্যে ভারতের ইনিংস থামে মাত্র ৪১.২ ওভারে, ১৮৬ রানে।
সাকিবের ৫ উইকেটের পাশাপাশি এবাদত তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন। এছাড়া মিরাজ পেয়েছেন ১ উইকেট।


















