• ঢাকা
  • শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১, ৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫
শুল্ক বিভাগের স্বর্ণ চুরি

৪ কর্মকর্তা ও ৪ সিপাহি গ্রেপ্তার, ৯৪ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩, ০৫:১৭ পিএম
৪ কর্মকর্তা ও ৪ সিপাহি গ্রেপ্তার, ৯৪ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগের গুদাম থেকে ৫৫ কেজি স্বর্ণ চুরির ঘটনায় ৯৪ ভরি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও ৪ সিপাহি গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তারা হলেন, মো. শহিদুল ইসলাম (৩৬), সাইদুল ইসলাম সাহেদ (৩৩), আকরাম শেখ (৩৬), মো. মাসুম রানা (৩৩)। সিপাহিরা হলেন, মো. মোজাম্মেল হক (৩৫), মো. নিয়ামত হাওলাদার (২৭), মো. রেজাউল করিম (৩৬), মো. আফজাল হোসেন (২৯)।

ঘটনায় বিবরণ দিয়ে হারুন অর রশীদ বলেন, “বিমানবন্দরে কাস্টমসের গুদাম থেকে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় হওয়া মামলা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তরা বিভাগ তদন্ত করছে। মামলার তদন্তের জন্য আমরা আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনেছিলাম। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৮ জনকেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ড পেলে তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৯৪ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা তাদের রিমান্ডে এনে আরও স্বর্ণ উদ্ধারের চেষ্টা করব।”

ডিবি প্রধান বলেন, “আমরা ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠিয়েছি। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আমরা জানার চেষ্টা করবো তাদের সঙ্গে আরও কারা জড়িত আছে। তারা স্বর্ণগুলো কোথায় সরিয়েছে জানার চেষ্টা করব।”

এর আগে এ ঘটনায় ৪ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। নোটিশে বলা হয়, বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা শাহজালাল বিমানবন্দরের ট্রানজিট এবং মূল্যবান গুদামে দায়িত্বকালে সঠিকভাবে পালন না করা এবং সম্পদ বুঝিয়ে না দেওয়ার কারণে শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ করায় তাদের বরখাস্ত করা হলো। তবে এ সময় তাদের কাস্টমস হাউসে অবস্থান করতে হবে।

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টম হাউসের গুদাম থেকে ৫৫ কেজির বেশি স্বর্ণ চুরির ঘটনা ঘটে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা। মূলত এসব স্বর্ণ যাত্রীদের কাছ থেকে জব্দ করার পর কাস্টম হাউসের গুদামে রাখা হয়েছিল।

Link copied!