• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১, ১২ মুহররম ১৪৪৫

পরিবেশ দূষণ রোধে বর্জ্য নীতিমালায় ১৫ সুপারিশ


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২২, ০৭:১২ পিএম
পরিবেশ দূষণ রোধে বর্জ্য নীতিমালায় ১৫ সুপারিশ

রাজধানীর পরিবেশ দূষণ রোধে সিটি করপোরশনের (ডিএনসিসি) বর্জ্য নীতিমালায় ১৫ সুপারিশ অন্তর্ভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে) ও তার কনসোর্টিয়াম সদস্য সংস্থা বারসিক, কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুওর (কাপ) ও ইনসাইট্স সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে বর্জ্য নীতিমালা-২০২১ বাস্তবায়নে সঠিক গাইড লাইন প্রণয়ন, নোটিশ জারি ও কঠিন বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবিও জানানো হয়েছে।

সোমবার (১ আগস্ট) সকালে গুলশান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন অডিটোরিয়ামে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এই সুপারিশমালা তুলে ধরেন ওই চার সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

সুপারিশগুলো হলো, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবীমা বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের টয়লেট এবং পানি সরবরাহের বিষয়টি সম্পৃক্ত করা, শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার প্রান্তিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা, কঠিন বর্জ্য হ্রাস করার দিকে জোর দেওয়া এবং বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরকরণে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কাজ করার বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা, সড়কের পাশে এবং জলাশয়ে বর্জ্য ফেলা রোধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা; প্রান্তিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীদের জন্য ময়লার বিল কমানো ও সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে বিনামূল্যে ময়লা ফেলার অনুমোদন দেওয়া; বর্জ্য সংগ্রহের সময়, প্রয়োজনীয় জনবল, প্রাসঙ্গিক অন্যান্য অবকাঠামোর বিষয়ে নির্দেশনা প্রদানসহ ১৫ সুপারিশ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, “বর্জ্য এখন আর বর্জ্য নয়, এটা মহামূল্যবান সম্পদ। বড় ব্যবসার ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমরা যত উন্নত হচ্ছি ততই বর্জ্যর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকা শহরে প্রতি বর্গ কিলোমিটার ৪৯ হাজার মানুষ বসবাস করে। এটি আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তারপরও উত্তরের মেয়র মহোদয়ের নেতৃত্ব আধুনিক মানের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উপহার দিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “এশিয়ার চমৎকার সিটি হলো ভারতের ইন্দোর। তাদের সাথে মানেজমেন্ট বিষয়ে আমরা বৈঠক করেছি। বর্জ্যর ৬ লেভেলের পৃথককরণ করে তারা। কিন্তু আমাদের দেশের জন্য তা কঠিন চ্যালেঞ্জ। তারপর আমরা একটি নীতিমালা তৈরি করেছি।”

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হবে। পচনশীল ও কঠিন বর্জ্য শুরু থেকে আলাদা করতে হবে। কারণ শুরু থেকে আলাদা করতে পারলে সময়ের পাশাপাশি রি-সাইকিলিং খরচও কম হবে। পচনশীল বর্জ্য থেকে সার ও বিদুৎ উৎপাদন করা যাবে। তাই আমাদের সঠিক কর্মপরিকল্পনা নেওয়া দরকার।

অনুষ্ঠানে কাপের চেয়ারপার্সন এবং ডিএসকে নির্বাহী পরিচালক ড. দিবালোক সিংহের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও গবেষক ড. তারিক বিন ইউসুফ, কাপের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার রেবেকা সান ইয়াত, প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহবুল হক প্রমুখ।

Link copied!