• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২, ৩ ভাদ্র ১৪২৯

‘শেখ কামালের জীবন হোক তারুণ্যের পথের দিশা’


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: আগস্ট ৫, ২০২২, ০৬:৫৬ পিএম
‘শেখ কামালের জীবন হোক তারুণ্যের পথের দিশা’

বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল যে নীতি, আদর্শ ও চলার পথের দিক দিশা দিয়ে গেছেন, তা সবাই অনুসরণ করে নিজেদের গড়ে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার ২০২২ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধামন্ত্রী।

যুবসমাজকে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চাসহ সমাজসেবায় আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল যে নীতি, আদর্শ, কর্মপন্থা, দিক-নির্দেশনা রেখে গেছেন, আমি মনে করি তা অনুসরণ করে আমাদের শিশু ও যুব সমাজ নিজেদেরকে গড়ে তুলবে। শুধু নিজের দেশের জন্য না, মেধা-মনন বিকশিত করে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও যেনও আমরা বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করতে পারি সেভাবে আমাদের ছেলে-মেয়েরা কাজ করবে- সেটাই আমি চাই।”

যারা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার জগতে সম্পৃক্ত থাকেন তাদের কারও কারও জীবন একটা সময় খুব দুর্বিষহ হয়ে যায় জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, “শেখ কামালই প্রথম ক্রীড়া জগতে সম্পৃক্তদের সহযোগিতার জন্য ফান্ড গঠন করেছিল। আমি সরকারে আসার পর তাদের জন্য বিভিন্ন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করে দিয়েছি, সিড মানি দিয়েছি এবং আরও ফান্ড জোগাড় করে দেবো যেনও তাদেরকে আর কষ্ট করতে না হয়।”

শেখ হাসিনা বলেন,“আমরা যখনই সরকারে এসেছি, চেষ্টা করেছি দেশের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক জগৎকে উন্নত করতে। শিল্প-সংস্কৃতির জগতের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদের জন্য ট্রাস্ট ফান্ড করে আমরা সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। কাজেই যেকোনও আপদকালীন সময়ে তারা যেন চিকিৎসা বা অন্যকোনও সহযোগিতা পায় এই চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “একটা বয়স আসলে তাদের আর অর্থ উপার্জনের সুযোগ থাকে না, সেটা যেন না হয় আমরা ব্যবস্থা নেব। খেলোয়াড়দের জন্য যেমন কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়েছে, সাংস্কৃতিক জগতের জন্যও আমরা করে দিয়েছি।”