জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা তারুণ্যভিত্তিক রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আত্মপ্রকাশের এক বছরের মধ্যেই সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে ৩০ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল দলটি। এর মধ্যে ছয়টি আসনে জয়ী হয়েছে এনসিপি।
জয়ী প্রার্থীরা
ঢাকা-১১ আসনে জয়ী হয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। কুমিল্লা-৪ আসনে বিজয়ী হয়েছেন দলের সদস্য সচিব হাসনাত আব্দুল্লাহ। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জয় পেয়েছেন আব্দুল্লাহ আল-আমিন এবং রংপুর-৪ আসনে জয়ী হয়েছেন আখতার হোসেন। এছাড়া কুড়িগ্রাম-২ আসনে আতিকুর রহমান মোজাহিদ এবং নোয়াখালী-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ বিজয়ী হয়েছেন।
অন্যান্য আসনে এনসিপির প্রার্থী
এনসিপি সারাদেশে ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। ঢাকা-৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-৯ আসনে জাবেদ রাসিন, ঢাকা-১৮ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৯ আসনে দিলশানা পারুল এবং ঢাকা-২০ আসনে নাবিলা তাসনিদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম, গাজীপুর-২ আসনে আলী নাছের খান, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, টাঙ্গাইল-৩ আসনে সাইফুল্লাহ হায়দার, রাজবাড়ী-২ আসনে জামিল হিজাযী এবং মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে মাজেদুল ইসলাম নির্বাচন করেছিলেন।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে জোবাইরুল হাসান আরিফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আশরাফ মাহদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, নোয়াখালী-২ আসনে সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মাহবুব আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, নাটোর-৩ আসনে এস এম জার্জিস কাদির, দিনাজপুর-৫ আসনে আবদুল আহাদ, ময়মনসিংহ-১১ আসনে জাহিদুল ইসলাম, নেত্রকোনা-২ আসনে ফাহিম পাঠান এবং পিরোজপুর-৩ আসনে শামীম হামিদী নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবান আসনে এস এম সুজা উদ্দিন এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রিতম দাশও এনসিপির প্রার্থী ছিলেন।