স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, “আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে তৈরি করা ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) চূড়ান্ত করা হবে।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা এরইমধ্যে ড্যাপের অংশীজনদের মতামত নিয়েছি। এখন পর্যালোচনা চলছে। আশা করছি ডিসেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত করা যাবে।”
সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের নিউজ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
এ সময় সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সংলাপ সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।
তাজুল ইসলাম বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য সুন্দর শহরগুলোর মতো করে ঢাকাকে তৈরি করার সুযোগ নেই। সর্বত্র বহুতল ভবন করে ফেলেছে। ঢাকা শহরে এখন দুই কোটির বেশি মানুষ রয়েছে। যা বিশ্বের জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। কাউকে জোর করে বের করা যাবে না। সেজন্য আমরা গ্রামে সুযোগ-সুবিধা বাড়াচ্ছি।”
মন্ত্রী বলেন, “এখন সকল নাগরিক সমান হোল্ডিং ট্যাক্স, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল দিচ্ছেন। কিন্তু এখন যদি গুলশানে হোল্ডিং ট্যাক্স, বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দেই, তাহলে তারা গুলশান কিংবা ধানমন্ডি না থেকে টঙ্গী চলে যাবেন। তাহলে টঙ্গীতেই তার সুবিধা করে দিতে হবে।”
এছাড়া রাজধানী ঢাকাকে একটি পরিকল্পিত নান্দনিক শহরে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৬-২০৩৫ সাল পর্যন্ত ২০ বছরের জন্য তৈরি করা হয় ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান বা বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ)।
ঢাকা ও এর আশেপাশের এরিয়া ধরে মোট এক হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার ভূমি নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে ঢাকাকে একটি মানবিক ও দৃষ্টিনন্দন শহর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যার মূল লক্ষ্য বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রয়োজন ও জীবনযাত্রাকে উন্নত করা।
সংলাপে বিএসআরএফ’র সহ-সভাপতি মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মেহ্দী আজাদ মাসুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য ইসমাইল হোসাইন রাসেল, মাইনুল হোসেন পিন্নু, শাহজাহান মোল্লা, হাসিফ মাহমুদ শাহ, শাহাদাত হোসেন রাকিব উপস্থিত ছিলেন।



































